• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
Headline
কুড়িগ্রাম পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন এনসিপি নেতা মোঃ মাসুম মিয়া পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ‘প্রথম টিভি’র চেয়ারম্যান মোঃ মোহতাসিম বিল্লাহ এনসিপি ও জাতীয় যুবশক্তি থেকে পদত্যাগ করলেন এম. রশিদ আলী শেষ মুহূর্তের পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ভালো নেই কামারপল্লী, ঈদ সামনে রেখেও কাজ কম ভূরুঙ্গামারীর কামারদের কুড়িগ্রাম পার্লামেন্টের নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রন্জু কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি’র প্রতিবাদ: পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগটি ভিত্তিহীন। ৭ বছরেরও প্রত্যাহার হয়নি নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুলের মামলা আইনের শাসন কোথায় কুড়িগ্রামে ল্যাম্পপোস্ট বসাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু

শেষ মুহূর্তের পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শেষ মুহূর্তের পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকেই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী এই পশুর হাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা খামারি, পাইকার ও প্রান্তিক কৃষকদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে পুরো হাট। তবে হাটে মানুষের উপস্থিতি ব্যাপক থাকলেও কেনাবেচা প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। একই হাটে গরু ও ছাগল দুই ধরনের পশুর ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না।

সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, হাটজুড়ে দেশি জাতের গরুর আধিক্য। বড় আকারের গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত। আর ছোট আকারের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। পাশাপাশি ছাগলের হাটিতেও ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

কোরবানির পশু কিনতে উপজেলার বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকেও ক্রেতারা এসেছেন। কেউ এককভাবে, আবার কেউ সম্মিলিতভাবে গরু ও ছাগল কিনতে হাটে ঘুরে দেখছেন। তবে বিক্রেতাদের ভাষ্য, ক্রেতারা দাম শুনে ঘুরে গেলেও চূড়ান্ত কেনাবেচা তুলনামূলক কম হচ্ছে।

হাটে গরু বিক্রি করতে আসা কুরবান আলী বলেন, “হাটে মানুষ অনেক, কিন্তু বিক্রি কম। সবাই গরু দেখে আর দাম শুনে চলে যায়।” তিনি তাঁর দেশি জাতের একটি গরুর দাম হাঁকছেন এক লাখ টাকা।

ব্যবসায়ী হানিফ বলেন, “গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রি কিছুটা কম। হাটে গরু প্রচুর, ক্রেতাও আছে; কিন্তু কেনাবেচা তেমন হচ্ছে না।”

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি মনে করছেন অনেক ক্রেতা। তবে কেউ কেউ বলছেন, চাহিদা অনুযায়ী দাম সহনীয় পর্যায়েই রয়েছে। বিশেষ করে মাঝারি আকারের দেশি গরুর চাহিদা বেশি দেখা গেছে।

গরু কিনতে আসা শিক্ষক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “বাড়িতে গরু রাখার জায়গা না থাকায় শেষ হাটে পশু কিনতে এসেছি। শেষ হাটে সাধারণত দামও কিছুটা কম পাওয়া যায়।”

হাট ইজারাদারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের আগে এটিই শেষ পশুর হাট। মানুষের ভিড় থাকলেও বেচাকেনা পুরোপুরি সন্তোষজনক নয়। তবে ভারতীয় গরু না থাকায় স্থানীয় খামারি ও প্রান্তিক কৃষকেরা লাভবান হয়েছেন। হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ, জাল নোট শনাক্তকারী টিম ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের মেডিকেল টিম কাজ করছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশিকুজ্জামান বলেন, “এ বছর ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর চাহিদা ২৮ হাজার ৫২৩টি। এর বিপরীতে প্রাপ্যতা রয়েছে ৩৩ হাজার ৯৮৬টি। ফলে চাহিদার তুলনায় পশু উদ্বৃত্ত আছে। হাটে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে। পাশাপাশি অসুস্থ পশু যাতে হাটে না ওঠে, সেদিকেও নজরদারি করা হচ্ছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category