• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে,কুড়িগ্রাম জেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের ব্যাপক অংশগ্রহণ গোপালগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত ১০ আসামি গ্রেপ্তার কুড়িগ্রামে ছুরিকাঘাতে পৌর কর্মচারী নিহত, স্ত্রী আহত কুড়িগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোপালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত টুঙ্গিপাড়ায় মানবিক কর্মকাণ্ডে প্রশংসিত “টুংকো দাতব‌্য ফাউন্ডেশন উলিপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে সার্বভৌমত্ব র‍্যালিতে আমিমুল ইহছানের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল ভূরুঙ্গামারীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

বাবা দিবসে বাবাকে নিয়ে কিছু কথা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৪৪ Time View
Update : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

বাবা (মরহুম হোসেন আলী সুফি)কে নিয়ে অনেকবার লিখতে চেয়েছি, কিন্তু কখনো লিখতে পারিনি। কারণ বাবাকে নিয়ে আমার স্মৃতিগুলো যতটা ভালোবাসার, ততটাই বেদনার।
১৯৮৮ সালের ১৮ এপ্রিল বাবা ইন্তেকাল করেন। আমাদের ১১ ভাইবোনের মধ্যে একমাত্র আমি তাঁর জানাজায় উপস্থিত থাকতে পারিনি। সে সময় আমি বরিশালের ছারছীনা দারুস সুন্নত মাদ্রাসায় ফাজিল পরীক্ষার্থী ছিলাম। বাবার মৃত্যুর নয় দিন পরে বড় ভাই ও আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান সহকারী প্রধান শিক্ষক মাওলানা মহসিন সাহেবের পাঠানো একটি টেলিগ্রাফ বার্তা পাই। সেখানে লেখা ছিল— “তোমার বাবা গুরুতর অসুস্থ, দ্রুত চলে আসো।”
পরীক্ষার চাপ ও দূরত্বের কারণে তখন বাড়ি ফিরতে পারিনি। কিন্তু অজানা এক অস্থিরতা আমাকে তাড়িয়ে বেড়াত। পরে জানতে পারি, বার্তা পাওয়ার আগেই বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বাবার মৃত্যুর প্রায় ১৫ দিন পরে আমি বাড়িতে পৌঁছাই।
বাবা ছিলেন একজন সাধারণ কৃষক, কিন্তু তাঁর চিন্তা-চেতনা, ধর্মপ্রাণতা ও সন্তানের প্রতি ভালোবাসা ছিল অসাধারণ। উলিপুরের সাতদরগার মরহুম আব্দুন নাসির পীর সাহেবের অন্যতম মুরিদ ছিলেন তিনি। পীর সাহেবই তাঁকে “সুফি” উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
আমাদের ১১ সন্তানের লালন-পালন ও শিক্ষার জন্য তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তাঁর দোয়া, ত্যাগ ও মায়ার ফলেই আজ আমরা সবাই সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছি।
বাবার মৃত্যুর তিন দশকেরও বেশি সময় পরে আমাদের মাও ইন্তেকাল করেন। এরপর এক বোন এবং আমার দ্বিতীয় ভাই আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম কারী সাহেবও দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করেছেন। তাদের শূন্যতা আজও অনুভব করি।
বাবার স্মৃতিকে ধারণ করে তাঁর কবরের পাশে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি “হোসেনিয়া নূরানী ও হাফেজী মাদ্রাসা”। এছাড়া তাঁর ওয়াকফকৃত জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “নাওরা নাছিরিয়া দাখিল মাদ্রাসা” ও “পশ্চিম নাওরা জামে মসজিদ”।
আজ বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল মৃত বাবা-মায়ের জন্য দোয়া করি। আল্লাহ তাআলা তাঁদের মাগফিরাত দান করুন, জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন। আর আমাদের সবাইকে পরিপূর্ণ ঈমানের সঙ্গে জীবন যাপন ও ঈমানী মৃত্যু দান করুন।
আমিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category