কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের সোমনারায়ণ এলাকার এক তরুণী নিখোঁজের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হওয়ার পর ধর্ম পরিবর্তন করে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেছেন বলে বিভিন্ন আইনি নথি থেকে জানা গেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, নাজিমখান ইউনিয়নের সোমনারায়ণ কালিরহাট এলাকার বাসিন্দা সুইটি রানী (পিতা: মৃত মৃণাল চন্দ্র, মাতা: দীপালী) গত ২৪ মার্চ ২০২৫ তারিখে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তার দাদা শ্রী প্রতাপ চন্দ্র রাজারহাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১১০৫) করেন।
পরবর্তীতে, ১৩ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে ঢাকায় প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ও নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে হলফনামার মাধ্যমে সুইটি রানী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম খাদিজাতুল কুবরা রাখেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
একই দিনে তিনি কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপাশা এলাকার বাসিন্দা মো. মাসুদ রানার সঙ্গে মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ অনুযায়ী ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহটি ঢাকার কোতোয়ালি এলাকার একটি কাজী অফিসে নিবন্ধিত হয়েছে বলে নিকাহনামায় উল্লেখ রয়েছে।
হলফনামায় খাদিজাতুল কুবরা উল্লেখ করেন যে, তিনি স্বজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং নতুন পরিচয়ে মো. মাসুদ রানার সঙ্গে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করবেন।
তবে এ বিষয়ে তরুণীর পরিবারের কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।