• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডিএমএফ পেশাজীবীদের নিয়োগ, উচ্চশিক্ষা ও পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিতের দাবি উলিপুরে ২৬টি মাদক মামলার আসামি নয়ন আবারো ৫০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার কুড়িগ্রামে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ উলিপুরে বিয়ের আসরে প্রেমিক আটক অপবাদ সইতে নাপেরে নারীর আত্মহত্যা ‎কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলার ঘটনায় ১শ’ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ৭ কুড়িগ্রামে ফুল এর আয়োজনে “সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্মাননা–২৫” অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে সাড়ে ৭ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক গোপালগঞ্জে নিজের বাসের চাপায় মালিক নিহত গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে হামলার ঘটনায় আরো ১৮জন গ্রেফতার।মোট গ্রেফতার ২৫

সকল ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো জেলা প্রশাসনের দায়িত্ব, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক | কুড়িগ্রাম / ১১৬ Time View
Update : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

আসন্ন ১৬ জুলাই রথযাত্রা ও ২৪ জুলাই উল্টো রথযাত্রা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে পালনের লক্ষ্যে কুড়িগ্রামের পলাশবাড়ী এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ ইসকন মন্দির পরিদর্শন করেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ।

পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আয়োজনে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। এ সময় সংশ্লিষ্টরা ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে গৃহীত প্রস্তুতির বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলেন, একজন জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে জেলার সব ধর্মের মানুষের খোঁজখবর নেওয়া, তাদের প্রয়োজন-সুবিধা দেখা এবং ধর্মীয় উৎসবগুলো যাতে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সে বিষয়ে সহযোগিতা করা তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্যের অংশ। এটি কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাত নয়; বরং সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বেরই প্রতিফলন।

তারা আরও বলেন, দুঃখজনকভাবে কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ডকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। এ ধরনের অপব্যাখ্যা বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা সামাজিক সম্প্রীতির জন্য সহায়ক নয়।

কুড়িগ্রামের সচেতন মহল মনে করে, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করেন। একে অপরের ধর্মীয় উৎসব ও অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনই আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য।

তাদের ভাষায়, “ধর্ম আলাদা হতে পারে, কিন্তু আমরা সবাই এই জেলার মানুষ, এই দেশের নাগরিক এবং এক পরিবারের সদস্য।” তাই বিভেদ নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির চর্চাই সমাজকে আরও শক্তিশালী করবে।

সংশ্লিষ্টরা সকলের প্রতি গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা থেকে বিরত থেকে সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category