“মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বাংলাদেশ এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম এসইডিপি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে চিলমারী সিনিয়র আলিম মাদরাসা ১ম স্থান অধিকার করেছে। এবারের “স্মার্ট সিটি প্রকল্প ” প্রদর্শণীতে অটো সিগন্যাল, আগুন ও গ্যাস লিকেজের জরুরী আগাম বার্তা, বন্যার বার্তা সহ বর্জ্যের ড্রাম ভর্তি হলে বার্তা সমস্যা নিরসনের উপায় তুলে ধরা হয়েছে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা প্রদর্শন করে দেশ ও জাতীর কল্যাণে এগিয়ে আসার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এই মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ যুগিয়েছেন অধ্যক্ষ নাজমুল হক। তিনি মাদরাসা শিক্ষার্থীদেরকে লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন খেলা-ধূলা ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনে বেশ তৎপর রয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলা অডিটোরিয়াম হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহমুদুল হাসান এর সভাপতিত্বে স্টল পরিদর্শন ও অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সহকারী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল হাই, চিলমারী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার, থানাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মোঃ নুর ই আলম বাদশাসহ আরো অনেকে। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ করে। বিচারকদের মূল্যায়নে চিলমারী সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা প্রথম, থানাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দ্বিতীয় ও শরীফের হাট এম,ইউ উচ্চ বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান অর্জন করে। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় চিলমারী সিনিয়র আলিম মাদরাসার পক্ষে ক্রেষ্ট গ্রহন করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ নাজমুল হক, শিক্ষক রাকিব মিয়া, শিক্ষক এমদাদুল হক, থানাহাট বলিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ তৈয়ব আলী ও শরিফেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ, বজরা তবকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মশিউর রহমান প্রমূখ।