• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের অভিযোগ ঝিকরগাছায় সরকারি শিশু পরিবার (বালক)-এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি প্রদান  গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ২ টি ডায়গনস্টিক সেন্টার বন্ধের চিঠি রৌমারীতে অপরাধ প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিং সভা গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন নাগেম্বরীর ১৩ নং বল্লভেরখাস ইউনিয়নে উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের চার প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন চিলমারী-রংপুর রমনা কমিউটার ট্রেনের কোচ থেকে বৈদ্যুতিক তার চুরির অভিযোগ রাজারহাটে ৮২ লাখ টাকার হাট, দোকানদার নেই-উদ্বোধনের কয়েক মাস পরও ফাঁকা শেড নির্মাণ শেষ, জমেনি ব্যবসা; সুফল পাচ্ছেন না ক্রেতা-বিক্রেতা গোপালগঞ্জ মাদক সেবনের দায়ে দুই যুবকের কারাদণ্ড বন্দবেড় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে নুর আলম খান হিরো

নাগেশ্বরীর গোলেরহাট ফাজিল মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি স্থানীয়দের

মোঃ আবু সাঈদ ইসলাম - নাগেশ্বরী প্রতিনিধি / ৪২ Time View
Update : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ঐতিহ্যবাহী গোলেরহাট ফাজিল (বিএ) মাদ্রাসা দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে সীমান্ত ঘেঁষা প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলোকবর্তিকা ছড়িয়ে আসছে। ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রাতিষ্ঠানিক প্রাঙ্গণটি আজ আর কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং স্থানীয়দের কাছে এক দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও গৌরবের স্মারক।

​বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক ও কর্মচারী মিলিয়ে মোট ৪২ জন সুনামের সাথে কর্মরত রয়েছেন এবং অধ্যায়ন করছে ৭০০-এরও বেশি শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার চমৎকার পরিবেশ ও মানসম্মত পাঠদানের কারণে শুধু স্থানীয়ই নয়, বরং দূর-দূরান্তের বিভিন্ন এলাকা থেকেও শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে ছুটে আসে। শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুরো ক্যাম্পাস ও প্রতিটি শ্রেণীকক্ষ বর্তমানে সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

​শিক্ষার পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বরাবরের মতো মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়ে আসছে। দীর্ঘ ৭০ বছরের বেশি সময়ের পথচলায় এখান থেকে পাশ করে বের হওয়া বহু শিক্ষার্থী আজ সমাজ ও রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

​প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বড় শক্তি হলো এর নিজস্ব বিশাল সম্পদ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসাটির মালিকানায় প্রায় ৩৬ বিঘা আবাদি জমি এবং ২০ বিঘা আয়তনের বিশালাকার পুকুর রয়েছে। এছাড়া মূল ভবন ও খেলার মাঠসহ আরও ৪ বিঘা জমি রয়েছে। সব মিলিয়ে মাদ্রাসাটির মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬০ বিঘা।

​প্রতিষ্ঠানের এমন বিশাল সম্পদ, সুনাম এবং সুদীর্ঘ ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও এখনও প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ না হওয়ায় হতাশ স্থানীয়রা। প্রবীণ অভিভাবক ও এলাকাবাসীদের মতে, এত বিশাল জমি ও নিজস্ব অর্থসম্পদ থাকার পরও জাতীয়করণের সুযোগ না পাওয়া দুঃখজনক। প্রতিষ্ঠানটিকে অবিলম্বে জাতীয়করণ করা হলে এর বিশাল সম্পদকে আরও সুপরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। একই সাথে আধুনিক অবকাঠামো ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে এটি উত্তরবঙ্গের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপ নিতে পারবে।

​কচাকাটা এলাকার সুশীল সমাজের দাবি, প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষার মান আরও জোরদার করতে প্রাচীন এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুত সরকারীকরণ করা এখন সময়ের সময়ের দাবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category