• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফারাক্কার প্রভাব মোকাবিলায় পদ্মা-তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের আহ্বান রিজভীর ঢাকায় বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা ১২ নারী উদ্ধার ভূরুঙ্গামারীতে ১৭টি ভারতীয় অবৈধ মোবাইলসহ রতন গ্রেফতার, চক্রের হোতা দাবি পুলিশের ৬ সালে পল্টনে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে ভূরুঙ্গামারীতে বিক্ষোভ কুড়িগ্রামে জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উলিপুরে টাকা ছাড়া মিলছে না ভূমি সেবা ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস পালিত গোপালগঞ্জ কাশিয়ানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ৩ গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন ভুরুঙ্গামারীতে ৪ লাখ টাকার অবৈধ ভারতীয় মোবাইল ফোনসহ যুবক গ্রেপ্তার

কোরবানির ঈদেও মাংসের স্বাদ নেই কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের হাজারো পরিবারের ঘরে

কুড়িগ্রাম - জেলা প্রতিনিধি / ৮৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬

নদীভাঙন, অতিবৃষ্টি ও খরায় ফসলহানিতে দিশেহারা কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের মানুষ। উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে অনেক কৃষক পড়েছেন চরম সংকটে। এমন বাস্তবতায় ঈদুল আজহাও তাদের কাছে আনন্দের নয়, বরং কষ্টের দিন হয়ে উঠেছে। অভাবের কারণে অধিকাংশ পরিবার কোরবানি দিতে পারেনি। তাই অন্যের ভাগের মাংস পাওয়াও এখন চরবাসীর জন্য যেন দূরাশা।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে সরাসরি কুড়িগ্রাম জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ১৬টি নদ-নদীতে রয়েছে প্রায় সাড়ে চার শতাধিক চর। এসব চরে প্রায় ৬/৭ লাখ মানুষের বসবাস। যেসব চর দীর্ঘদিন ধরে নদী ভাঙন থেকে মুক্ত রয়েছে, সেসব চরে মানুষ গবাদিপশু পালন করে কোরবানি দিতে পারলেও অধিকাংশ চরাঞ্চলে নদী ভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মাঠে রোপনকৃত আলু, মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, বাদাম, ভুট্টাসহ অন্যান্য ফসলাদি নষ্ট হওয়ায় এসব দুর্যোগ কবলিত পরিবারগুলো কোরবানি দিতে পারেনি। ফলে অনেকের ঘরের সন্তানেরা পায়নি ঈদের মাংসের স্বাদ।

রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা এলাকার আসাদুল ইসলাম (৩৪) বলেন, আগে বাপ-দাদারা কোরবানি দিত। জামা-কাপড় কিনে দিত। এখন অভাবের কারণে কোরবানি দিতে পারি না। মুররি-টুগরি রান্দে বাচ্চাদের মাংস খাওয়াই।

একই এলাকার আব্দুর রউফ শেখ (৬০) বলেন, আমার ৭ সন্তান। সমস্যার কারণে কোরবানি দিতে পারছি না। ছেলে-মেয়েরা অনেক আশা করে আছে। কিন্তু আমি তো পারব না। এখন ২/১ কিলো মাংস কিনে আনতে পারি।

কবিলা বেগম (৫৫) বলেন, মানুষের বাড়িতে কাজ করি খাই, টাকা নাই। আশাপাশে বেশিরভাগ মানুষই কোরবানি দিচ্ছে না। মুরগির ডিম দিয়ে ঈদ পার করাম।

রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নে সাড়ে ৬ কিলোমিটার তিস্তা নদী তীরের মধ্যে ৩ কিলোমিটার তীর রক্ষা কাজের বরাদ্দ আসলেও এখনো তিনটি প্যাকেজের কাজ শুরু করা হয়নি। পাশাপাশি বাকি সাড়ে ৩ কিলোমিটার নদী তীরের জন্য কোনো বরাদ্দ না আসলে সামনের বন্যায় অরক্ষিত এলাকার মানুষের জীবনে চরম ভোগান্তি নেমে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category