• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফারাক্কার প্রভাব মোকাবিলায় পদ্মা-তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের আহ্বান রিজভীর ঢাকায় বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা ১২ নারী উদ্ধার ভূরুঙ্গামারীতে ১৭টি ভারতীয় অবৈধ মোবাইলসহ রতন গ্রেফতার, চক্রের হোতা দাবি পুলিশের ৬ সালে পল্টনে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে ভূরুঙ্গামারীতে বিক্ষোভ কুড়িগ্রামে জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উলিপুরে টাকা ছাড়া মিলছে না ভূমি সেবা ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস পালিত গোপালগঞ্জ কাশিয়ানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ৩ গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন ভুরুঙ্গামারীতে ৪ লাখ টাকার অবৈধ ভারতীয় মোবাইল ফোনসহ যুবক গ্রেপ্তার

ভূরুঙ্গামারীতে ১৭টি ভারতীয় অবৈধ মোবাইলসহ রতন গ্রেফতার, চক্রের হোতা দাবি পুলিশের

নিজস্ব প্রতিনিধি / ২২ Time View
Update : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা মোবাইল চোরাকারবারি চক্রের হোতা হিসেবে পরিচিত রশিদুল ইসলাম রতনকে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে প্রায় চার লাখ টাকা মূল্যের ১৭টি ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড়ে ভারতীয় মোবাইল ফোন কেনাবেচার সময় তাঁকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। রতন মধ্য ভরতের ছড়া গ্রামের তফিজ উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ মিডিয়া সেল, কুড়িগ্রাম সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, পিপিএমের দিকনির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে থানার একটি ছদ্মবেশী দল রাতভর সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের দাবি, বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড়ে একটি দোকান পরিচালনার আড়ালে রতন ভারতীয় মাদক ও মোবাইল ফোনের অবৈধ ব্যবসা করতেন। তাঁর মাধ্যমে এসব চোরাই মোবাইল দেশের বিভিন্ন শপিংমল ও দোকানে ছড়িয়ে পড়ত। রতন ও তাঁর কয়েকজন নিকটাত্মীয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ ব্যবসা পরিচালনা করত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তাঁকে গ্রেফতার করতে এর আগেও একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে প্রতিবারই তিনি কৌশলে পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পান বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, গ্রেফতার রতনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে রতনের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের কয়েকজনের অভিযোগ, রতনের মাধ্যমে এলাকার উঠতি বয়সী অনেক যুবক ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানে জড়িয়ে পড়ছিল। তাঁর গ্রেফতারে অন্তত কিছুদিনের জন্য হলেও এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তাঁরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category