• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জামায়াতের বাধার মুখেও সাঁথিয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ‘রাত ১২টায় দেখা করলেই ফ্যামিলি কার্ড’—অভিযোগে আলোচনায় বিএনপি নেতা জলাভূমি নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষিত বিলকুমারি-বিলজোয়ানার কার্যকর সুরক্ষার দাবি নেত্রকোণা সমাজসেবা কার্যালয়ের লিফটে আটকে পড়া ৭ শিক্ষার্থী উদ্ধার কুড়িগ্রামের সারডোব ও দক্ষিণ বড়লইয়ে ভয়াবহ নদীভাঙনে কেউ তৃতীয়বার- কেউ চতুর্থবার ঘর হারানোর শঙ্কায় পরিবারগুলো। মানবপাচার রোধে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ জোরদার, IOM-এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কুড়িগ্রামে দুই দিনে ৪৮৯ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার- ৩, চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রে ভাঙ্গন রোধে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ৪০ বিঘার মাছের খামারে বদলে দিচ্ছেন সম্ভাবনার গল্প: সফল উদ্যোক্তা রতন রেজাউল সন্ধ্যার মধ্যে ১৪ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস

বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের তুরস্ক সফর: এমকেই (MKE) অস্ত্র কারখানা পরিদর্শনে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন দিগন্ত

ঢাকা, আঙ্কারা / ১৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত পাঁচ দিনের সরকারি সফরের অংশ হিসেবে দেশটির শীর্ষ প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রতিষ্ঠান এমকেই (MKE)-এর গাজি স্মল আর্মস অ্যামুনিশন ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেছেন। সফরকালে উভয় দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই ২০২৬ জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। সফরের উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা, প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা পর্যালোচনা এবং নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধান করা।

এমকেই-এর গাজি স্মল আর্মস অ্যামুনিশন ফ্যাক্টরিতে পৌঁছালে বাংলাদেশ সেনাপ্রধান ও তাঁর সফরসঙ্গী উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাগত জানান। পরে প্রতিনিধি দল কারখানার বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিট ঘুরে দেখেন এবং আধুনিক উৎপাদন প্রক্রিয়া, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও বিভিন্ন প্রতিরক্ষা পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন।

সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে এমকেই-এর মহাব্যবস্থাপক এবং বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রতিরক্ষা শিল্পে সম্ভাব্য যৌথ উদ্যোগ, প্রযুক্তি বিনিময়, সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে গভীর হচ্ছে। সেনাপ্রধানের এই সফর সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং শিল্প সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category