উত্তরের জনপদ কুড়িগ্রামের সন্তান জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম খোকন যিনি সততা, কর্মনিষ্ঠা ও গণমানুষের ভালোবাসাকে মূলধন করে আজ জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন—তিনি আর কেউ নন, আমাদের সবার শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম খোকন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই গুণী মানুষটি তার পুরো জীবন উৎসর্গ করেছেন সমাজসেবা ও মানবকল্যাণে। এলাকায় তার ব্যাপক জনশ্রুতি ও সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসাই প্রমাণ করে জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা কত গভীর।
কর্মময় ও রাজনৈতিক জীবন:
তিনি বল্লভেরখাষ ইউনিয়নের এক সুপরিচিত মুসলিম সম্ভ্রান্ত জোদ্দার ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের যোগ্য সন্তান। কর্মময় জীবনের সূচনায় তিনি অল্প সময়ের জন্য শিক্ষকতার মতো মহান পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে ‘পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা’ হিসেবে অত্যন্ত সুনাম ও সততার সাথে দীর্ঘ সরকারি চাকরি শেষ করে বর্তমানে অবসর যাপন করছেন। এর পাশাপাশি তিনি মাদারগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হওয়ায় ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাসদের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে ১৯৮০-র দশকের শেষের দিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যুক্ত হন। দীর্ঘ সরকারি চাকরির কারণে প্রত্যক্ষ রাজনীতি থেকে সাময়িক বিরতিতে থাকলেও, অবসর গ্রহণের পর তিনি আবারও জনগণের সেবায় রাজনীতিতে পূর্ণ সক্রিয় হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ‘জিয়া পরিষদ’-এর আদাবর থানা শাখা (ঢাকা মহানগর) এর সভাপতি এবং ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রবাসী দল’ প্লাটফর্মের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
শিক্ষাজীবন:
তার প্রাথমিক শিক্ষার সূচনা হয় মাদারগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন মাদারগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও নাগেশ্বরী দয়াময়ী (ডিএম) উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। এরপর নাগেশ্বরী কলেজ ও সৈয়দপুর কলেজে অধ্যয়ন শেষে কুড়িগ্রাম মহাবিদ্যালয় থেকে সফলতার সাথে স্নাতক (বিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি রাজপথের রাজনীতি ও ছাত্র আন্দোলনের সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন।
জনগণের চাহিদা ও আগামীর ভাবনা:
চাকরিজীবন শেষে তিনি প্রতিনিয়ত গ্রামের বাড়িতে যাতায়াত করছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রেখেছেন। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে সর্বদা পাশে থাকায় সর্বস্তরের জনগণের মাঝে তাকে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দেখার তীব্র ব্যাকুলতা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
জনগণের এই প্রত্যাশার বিষয়ে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানান—
”সময়, জনগণের তীব্র দাবি এবং সর্বোপরি দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই বলে দেবে আমার আগামী দিনের পদক্ষেপ। তবে আমি বিশ্বাস করি, পদ-পদবি বা নির্বাচনে অংশ না নিয়েও সমাজ ও সাধারণ মানুষের সেবা করা সম্ভব; আর আমি আমরণ সেই কাজই নিষ্ঠার সাথে করে যেতে চাই। তিনি আরো বলেন দীর্ঘদিন থেকে কুড়িগ্রাম জেলা অবহেলিত,এই জেলার মানুষ সহজ সরল,এই জেলার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটে নাই। এই জেলার উন্নয়ন করতে হলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
সবশেষে তাকে আবারও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান এখনো এনিয়ে ভাবিনি।
সবাইকে সাথে নিয়ে, সততা ও উন্নয়নের প্রত্যয়ে—জনগণের ভালোবাসায় সমৃদ্ধ এই জনবান্ধব নেতৃত্ব আগামী দিনে আমাদের আরও আলোকিত ভবিষ্যৎ উপহার দেবে।