• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সংবাদ প্রকাশের পর তিন বোনের পাশে উপজেলা প্রশাসন তিস্তা মহা পরিকল্পনা আমার জীবন সংগ্রামের একটি অংশ; ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সেক্রেটারির কবর জেয়ারত করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা” প্রতিপাদ্যে কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত গোপালগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতির পদ স্থগিত ৪৯ তম বিসিএসের গেজেটে গোপালগঞ্জে প্রার্থীর ৯ জন বাদ কুমিল্লায় জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার, সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা সহ বিভিন্ন দাবিতে কুমিল্লায় কমিউনিস্ট পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা কমিটির সাথে আইনশৃঙ্খলা মতবিনিময় সাংবাদিক নেত্রী ফাতেমা আক্তারকে পিটিয়ে গুরুতর আহত, তীব্র নিন্দা কচাকাটায় ৯৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার

গোপালগঞ্জকে মশকমুক্ত করতে পৌরসভার ‘জিরো টলারেন্স’: ছুটি বাতিল করে টানা ৩ মাসের স্পেশাল ড্রাইভ

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ / ৬ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধ ও মশক নিয়ন্ত্রণে নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে গোপালগঞ্জ পৌরসভা। পুরো পৌর এলাকাকে শতভাগ মশকমুক্ত করার লক্ষ্যে গত ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান, যা আগামী ১২ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত টানা তিন মাস ধরে বিরতিহীনভাবে চলবে। অভিযানকে শতভাগ সফল করতে এবং পৌরবাসীকে মশকমুক্ত শহর উপহার দিতে এই ৩ মাস পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকল প্রকার সাপ্তাহিক বা অর্জিত ছুটি সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডেই পর্যায়ক্রমে নিয়মিত আধুনিক ফগার ও স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। মশার লার্ভা ও প্রজননস্থল ধ্বংস করতে ড্রেন পরিষ্কার, নালা-নর্দমার বর্জ্য অপসারণ, ঝোপঝাড় পরিষ্কার, অনাকাঙ্ক্ষিত আগাছা দমন এবং গাছপালার অতিরিক্ত ডালপালা কেটে রোদের আলো চলাচলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

গোপালগঞ্জ পৌরসভার কঞ্জারভেন্সি ইন্সপেক্টর ইমরান আলী মোল্যা জানান, একটি পরিচ্ছন্ন ও মশকহীন পৌরসভা গড়তে তারা শতভাগ অঙ্গীকারবদ্ধ। পৌরসভার অভিজ্ঞ কর্মী বাহিনী দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং কোনো প্রকার ছুটি বা বিরতি ছাড়াই টানা এই অভিযান সফল করতে সবাই প্রস্তুত। পৌরসভাকে পুরোপুরি মশকমুক্ত রাখতে তিনি গোপালগঞ্জের সর্বসাধারণ ও পৌর নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা ও সচেতনতা কামনা করেছেন।

সরেজমিনে মাঠপর্যায়ে দেখা যায়, পৌরসভার কর্মীরা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সুবিশাল এই পৌর এলাকায় লোকবল আরো কিছুটা বৃদ্ধি করা গেলে এই কর্মসূচির গতি কয়েকগুণ বেড়ে যেত বলে প্রতীয়মান হলেও, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পৌরসভাকে শতভাগ মশকমুক্ত ও ডেঙ্গুমুক্ত করার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category