কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন, কাস্টমারের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং অভিযোগ করলেই উল্টো হুমকি-ধমকির অভিযোগ উঠেছে ঢাকা এক্সপ্রেস হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট–এর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের ভাষ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনমনে নানা নেতিবাচক আলোচনা চলছিল। এবার এক ভুক্তভোগী গ্রাহকের অভিজ্ঞতা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে প্রতিষ্ঠানটির খাবারের মান ও সেবার পরিবেশ নিয়ে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি রেস্টুরেন্টটিতে গ্রিল অর্ডার করেন। খাবার পরিবেশনের পর দেখা যায়, গ্রিলটি ঠিকভাবে পোড়ানো হয়নি এবং ভিতরে কাঁচা ভাব ছিল। স্বাদও ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের। বিষয়টি শান্তভাবে কর্মচারীদের জানিয়ে খাবারটি পরিবর্তন বা ঠিক করার অনুরোধ করা হলে, ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে রেস্টুরেন্টের শ্রমিক ও মালিকপক্ষ উল্টো ক্ষিপ্ত আচরণ শুরু করে।
অভিযোগকারী বলেন, “একজন কাস্টমার টাকা দিয়ে খাবার কিনবে, অথচ খাবারের মান নিয়ে কথা বললেই অপমানিত হতে হবে—এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না।” স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে অনেক রেস্টুরেন্ট বাহ্যিক সাজসজ্জা ও প্রচারণায় বেশি মনোযোগ দিলেও খাবারের গুণগত মান, স্বাস্থ্যবিধি ও গ্রাহকসেবাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। আর এসব কারণেই সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে। সচেতন মহল বলছে, একটি রেস্টুরেন্টের প্রকৃত পরিচয় তার পরিবেশ নয়, বরং খাবারের মান, পরিচ্ছন্নতা এবং কাস্টমারের সাথে আচরণে প্রকাশ পায়। নিম্নমানের বা অপর্যাপ্তভাবে রান্না করা খাবার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উচিত অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এ ঘটনায় নাগেশ্বরী এলাকাজুড়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।