বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরের অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক মো. মঞ্জুরুল হকের বিরুদ্ধে প্রতারণা, যৌতুক দাবি, শারীরিক নির্যাতন, চিকিৎসাসংক্রান্ত অনিয়ম, সন্তানদের ভরণপোষণ না দেওয়া এবং জমি দখলের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী মোছা. জেসমিন আক্তার ডলি।
রোববার (১৯ জুলাই) ময়মনসিংহের গৌরীপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিন কন্যাসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন তিনি। এ সময় চার সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে জেসমিন আক্তার ডলি দাবি করেন, ১৯৯৯ সালে যশোর সেনানিবাস এলাকায় চিকিৎসার সূত্রে পরিচয়ের পর কৌশলে তাকে বিয়ে করা হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবি, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া দুটি গর্ভপাত করানো, চিকিৎসার নামে অনিয়ম, স্থায়ী বন্ধ্যাত্বকরণ এবং একটি ডেন্টাল ক্লিনিকে বেআইনিভাবে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগও তোলেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, চার কন্যাসন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন না করে অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। একই সঙ্গে তাঁর নামে থাকা ৩৫ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জেসমিন আক্তার ডলি প্রশাসনের কাছে নিজের ও সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. মঞ্জুরুল হকের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, উপস্থাপিত অভিযোগগুলো সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর দাবি। এসব অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষ।