কুড়িগ্রামের উলিপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের তালিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একটি ফেসবুক পোস্ট এবং সেই পোস্টে করা এক যুবদল নেতার মন্তব্যকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সম্প্রতি Tonni Fardina নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে করা এক পোস্টে দাবি করা হয়, ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার হিসেবে মোট ১৭০ জন নিয়োগের কথা থাকলেও বিএনপি নেতা হায়দার আলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে ২০০ জনের একটি তালিকা জমা দিয়েছেন।
ওই পোস্টে মন্তব্য করেন উলিপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর টিপু। মন্তব্যে তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছর ধরে নির্যাতিত ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সুপারিশের ভিত্তিতেই তালিকা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত কিছু ভাষা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
মন্তব্যে রাজনৈতিক দলের সুপারিশে তালিকা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকায় নিয়োগ বা তালিকা প্রণয়ন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বিষয়টির স্বচ্ছ ব্যাখ্যা এবং প্রশাসনের অবস্থান জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তবে ফেসবুক পোস্ট ও মন্তব্যে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা হায়দার আলী, উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয়দের একাংশের মতে, বিষয়টি নিয়ে জনমনে যে বিভ্রান্তি ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া এবং প্রয়োজনে নিরপেক্ষ তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।