• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক, উত্তাল গাজীপুর-মিরপুর; বন্ধ শতাধিক কারখানা রৌমারীতে মাদক সেবনের দায়ে একজনের কারাদণ্ড গণমাধ্যমকে দ্বিখণ্ডিত গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বে আঘাত: থামাতে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের নিন্দা ও প্রতিবাদ এক-দুই বিষয়ে ফেল করলেও ডিসেম্বরেই আবার পরীক্ষার সুযোগ গোপালগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় চালক নিহত গোপালগঞ্জে জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠান শুরু লং মার্চের পথসভায় জমায়াতের আমির বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণই জামায়াতের লক্ষ্য নাগেশ্বরীতে ট্রাক্টরের চাপায় প্রাণ গেল ৭ বছরের শিশু হাসানুরের, এক লাখ টাকায় রফাদফার অভিযোগ ১১ দলের লংমার্চ আ.লীগের শক্ত ঘাঁটি গোপালগঞ্জ যা বললেন জামায়াত আমির নাগেশ্বরীর তিন কলেজে সবাই অকৃতকার্য

নাগেশ্বরীর তিন কলেজে সবাই অকৃতকার্য

শাফাত আহমেদ প্রান, নাগেশ্বরী / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে এ বছর উপজেলার তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। পাশাপাশি পুরো উপজেলাজুড়েই দেখা গেছে ফলাফলের ভয়াবহ ধস।

​শিক্ষা বোর্ডের শূন্য পাসের (০%) তালিকা থেকে জানা যায়, জেলাজুড়ে শতভাগ ফেল করা ৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটিই নাগেশ্বরী উপজেলায় অবস্থিত। এই ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, যাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।

​শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া নাগেশ্বরীর ৩টি প্রতিষ্ঠান ​নাগেশ্বরী মডেল কলেজ পরীক্ষার্থী ১৫ জন, পাস ০। ​কুটি পয়রাডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ: পরীক্ষার্থী ৫ জন, পাস ০।​ছিলাখানা মডেল কলেজ: পরীক্ষার্থী ৪ জন, পাস ০।

চলতি বছর নাগেশ্বরী উপজেলার ১৪টি কলেজ থেকে সর্বমোট ১ হাজার ৯৮৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে মাত্র ৮৫৯ জন উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন। এতে উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৩.২৯ শতাংশ। পুরো উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ২৪ জন শিক্ষার্থী।

​স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, উপযুক্ত শ্রেণিকক্ষ ও অবকাঠামোর অভাব, তীব্র শিক্ষক সংকট এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতির কারণেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। প্রয়োজনীয় তদারকি না থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

​এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, উচ্চমাধ্যমিক বা কলেজ পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম দেখভালে তারা সরাসরি জড়িত নন এবং এটি ওপর থেকে মনিটর করা হয়। তবে উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা পেলে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমন ভাবে দেও যাতে কপিরাইড না হয়


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category