• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে নাগেশ্বরীতে সংবাদ সম্মেলন ভারতীয় গরুর নিলামকে কেন্দ্র করে রৌমারীতে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উপহার, ৭৮০ কেজি ‘কিউ’ আনারস এলো বাংলাদেশে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা: কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে রাজনৈতিক পথচলা বিএনপিকে দুর্বল করতে একাত্তরের পরাজিত শক্তি এখনো ষড়যন্ত্র লিপ্ত: টুকু ঠোঁট রাঙানোর রঙিন গল্প: আজ বিশ্ব লিপস্টিক দিবস আঞ্চলিক সহযোগিতায় নতুন আশার বার্তা, সার্ক সক্রিয় করতে একমত বাংলাদেশ-নেপাল বাংলাদেশে তৈরি ‘Pragati v1’ চিপ: সেমিকন্ডাক্টরে নতুন ইতিহাস গড়ল BUET ১৩ বছর বয়সী মায়ের কোলে ৭ মাসের সন্তান পুলিশের অভিযানে নাগেশ্বরীতে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, জব্দ ইজিবাইক

বাংলাদেশ মানবিকতার দৃশ্যমান নিদর্শন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

Reporter Name / ৫৪ Time View
Update : বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিন দিনের সফরে গতকাল সোমবার ঢাকায় আসেন। গতকালই তিনি কক্সবাজার চলে যান। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থা দেখতেই জোলির বাংলাদেশ সফর। এ সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়েও কথা তিনি কথা বলেছেন আজ।

 

গতকালের মতো আজও রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন জোলি। পরে কুতুপালংয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জোলির বক্তব৵ তুলে ধরা হয়েছে।

 

জোলি বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়। এখনো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা অব্যাহত আছে।

 

জোলি বলেন, ‘আজ কক্সবাজারে যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি, সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়শিবিরটি। এখানে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গার আশ্রয় হয়েছে।’ তিনি বলেন, সব শরণার্থীই দুর্দশাগ্রস্ত। তবে রোহিঙ্গারা শুধু গৃহহারা নয়, তারা দেশহারা।

 

বিভিন্ন মানবিক তৎপরতায় জোলি বলেন, রোহিঙ্গাদের যে দেশে জন্ম, সেই দেশের নাগরিকত্ব তারা পায়নি। এটি সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন। তাদের রোহিঙ্গা নামে ডাকাও হয় না।

 

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, দেশে ফেরার পূর্ণ অধিকার আছে রোহিঙ্গাদের। তবে তখনই তারা দেশে ফিরবে, যখন তারা মনে করবে সেখানে তাদের যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে। আর ফিরে যাওয়ার পর তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হবে, সেই নিশ্চয়তাও পেতে হবে।

জোলি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের পর তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘গতকাল এক নারীর সঙ্গে কথা হলো। তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মিয়ানমারে। তিনি আমাকে বললেন, “আমার নিরাপদ ব্যবস্থা না করে যদি ফেরত পাঠাতে চান, এর আগে আমাকে এখানেই মেরে ফেলুন।”’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category