কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের বালাপাড়া মনিডাকুয়া গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিএনপি নেতা সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।
গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে বালাপাড়া মনিডাকুয়া গ্রামের মিস্ত্রি দবির মিয়ার বসতঘরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে রাজারহাট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরের আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং নগদ ৯০ হাজার টাকাসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে যায়। এতে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দুর্দশার খবর পেয়ে শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে বিএনপি নেতা সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ ঘটনাস্থলে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে রাজারহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নাজিমখান ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম আতিকসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তারা ক্ষতিগ্রস্ত দবির মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরে বিএনপি নেতা সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
এ সময় তিনি বলেন, দুর্যোগ ও বিপদের সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মানবিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি যাতে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তিনি।
ক্ষতিগ্রস্ত দবির মিয়া বলেন, আগুনে তাঁর ঘর ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে গেছে। পাশাপাশি ছেলের চিকিৎসার জন্য রাখা নগদ টাকাও আগুনে পুড়ে যায়। এমন কঠিন সময়ে বিএনপি নেতার সহযোগিতা তাঁর পরিবারের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে।
স্থানীয়রা বলেন, অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো পরিবারের পাশে বিএনপি নেতার এভাবে এগিয়ে আসা একটি মানবিক উদ্যোগ। তবে পরিবারটির ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি হওয়ায় সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে আরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।