• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কুমিল্লায় জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার, সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা সহ বিভিন্ন দাবিতে কুমিল্লায় কমিউনিস্ট পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা কমিটির সাথে আইনশৃঙ্খলা মতবিনিময় সাংবাদিক নেত্রী ফাতেমা আক্তারকে পিটিয়ে গুরুতর আহত, তীব্র নিন্দা কচাকাটায় ৯৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার গোপালগঞ্জ ভ্রাম্যমান আদালতে দোকান মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় আশঙ্কাজনক সংগীতশিল্পী স্মৃতি জান্নাত, অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধের উপক্রম গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল সেন্টারে স্বল্পমূল্যে ডেঙ্গুসহ ১৩ পরীক্ষা চালু, থাকছে পর্যাপ্ত ওষুধ বিএনপির নির্বাচিত আসনগুলোতে সারের সংকট হয়নি, কুড়িগ্রামে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ৩২০টি ইয়াবাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে নির্মাণাধীন কারখানা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

সাংবাদিক নেত্রী ফাতেমা আক্তারকে পিটিয়ে গুরুতর আহত, তীব্র নিন্দা

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ / ৭ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

সাংবাদিক ফাতেমার হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি,
বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরামের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ-অবিলম্বে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের আহ্বান।

বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরামের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ ও দপ্তর সম্পাদিকা মোছাম্মদ ফাতেমা আক্তারকে গাজীপুরে নিজ বাসার সামনে সন্ত্রাসীরা বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুরুতর আহত ফাতেমা আক্তার বর্তমানে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে স্বজন ও সহকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

একজন সাংবাদিক নেত্রীকে তাঁর নিজ বাসার সামনে প্রকাশ্যে হামলা ও মারধরের অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুতর ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম বলেছে, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। সাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে, শারীরিকভাবে আঘাত করে কিংবা হামলার মাধ্যমে তাদের পেশাগত দায়িত্ব থেকে দূরে রাখার যে কোনো অপচেষ্টা গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশের জন্য হুমকি।

অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি
ফাতেমা আক্তারের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম।
সংগঠনটির নেতারা বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় যদি দ্রুত ও কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হতে পারে। তাই তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হামলাকারীদের শনাক্ত করে নিরপেক্ষভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। সংগঠনের সভাপতি
কে এম আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রাসেল, সহসভাপতি এম টি রহমান মাহমুদ ও মহিলা সম্পাদিকা তাহমিনা মাহমুদ সহ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

ফাতেমা আক্তারের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কে এম আবুল হোসেন।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, নির্যাতন ও হয়রানির ঘটনা কোনো সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। সাংবাদিকরা মানুষের কথা বলেন, অন্যায়-অনিয়ম তুলে ধরেন এবং সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি জনসম্মুখে আনেন। সেই সাংবাদিকই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের অধিকার ও সত্য প্রকাশের পরিবেশও বাধাগ্রস্ত হবে।
তিনি ফাতেমা আক্তারের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

‘সাংবাদিক সুরক্ষা আইন এখন সময়ের দাবি’
কে এম আবুল হোসেন একই সঙ্গে দেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় কিংবা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হামলা, হুমকি ও হয়রানির বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা এবং বিচার নিশ্চিত করার কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা শুধু সাংবাদিক সমাজের দাবি নয়-এটি স্বাধীনভাবে তথ্য প্রকাশ, জনগণের জানার অধিকার এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নিরাপত্তাহীনতায় সাংবাদিক সমাজ
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ নতুন নয়। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের নানা ধরনের চাপ, হুমকি ও হামলার মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ প্রায়ই সামনে আসে।

গণমাধ্যমকর্মীদের মতে, একটি সংবাদ প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিক আক্রান্ত হলে তার প্রভাব শুধু ব্যক্তির ওপর পড়ে না; এর মাধ্যমে অন্য সাংবাদিকদের মধ্যেও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। ফলে অনুসন্ধানী ও সাহসী সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ফাতেমা আক্তারের ওপর হামলার ঘটনাতেও দ্রুত তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম।

হামলার বিচার না হলে প্রশ্ন উঠবে নিরাপত্তা নিয়ে
একজন সাংবাদিক নেত্রী নিজ বাসার সামনে হামলার শিকার হয়েছেন-এমন অভিযোগের দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত জরুরি। হামলার প্রকৃত কারণ, কারা জড়িত এবং ঘটনার পেছনে কোনো পেশাগত বা ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল কি না-তদন্তে তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

অভিযোগ প্রমাণের আগেই কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম একই সঙ্গে আহত ফাতেমা আক্তারের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে এবং তাঁর চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

সাংবাদিকের কলম থামিয়ে দেওয়ার জন্য হামলা কোনো সমাধান নয়। সত্য প্রকাশের পথ নিরাপদ রাখা রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। ফাতেমা আক্তারের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচারই এখন সাংবাদিক সমাজের প্রধান দাবি। একজন নারী সাংবাদিক তাঁর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্নীতি সন্ত্রাস বিভিন্ন মুখোশ উন্মোচনের জন্য কাজ করেন সমাজকে আলোকিত করতে। নারী সাংবাদিকের উপর যারা হামলা চালিয়েন অতি দ্রুত আইনের আওতায় এনে এদের বিচার দাবী সাংবাদিক সমাজ। হোক প্রতিবাদ!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category