• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভূরুঙ্গামারীতে গণধর্ষণ মামলার আসামি লিটন গ্রেফতার কুড়িগ্রামে পিস্তল-গুলিসহ ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার উলিপুরে আসন্ন পূজা উদযাপন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রৌমারীতে নিজ অর্থে রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ওমর ফারুক মলম পার্টির চক্র অটো ছিনতাই, নিখোঁজের পর অসুস্থ অবস্থায় কুড়িগ্রাম হাসপাতালে ভূরুঙ্গামারীর অটোচালক বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রেস-ক্লাব ট্রাস্ট এর, ঢাকা বিভাগের দক্ষিণ অঞ্চলের, (সাবেক) ফরিদপুর জেলার পাঁচ জেলার কমিটির প্রেসিডেন্ট ও জেনারেল- সেক্রেটারি মনোনীত গোপালগঞ্জ কাশিয়ানীতে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে মানববন্ধন নাগেশ্বরী-কুড়িগ্রাম সড়কে দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন প্রথম টিভির চেয়ারম্যান টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ লিফট বিকল, দুর্ভোগে রোগী-স্বজন তৌফিক ইমরোজ খালিদীর প্রয়াণে শিশু সাংবাদিক নিরব ইসলামের শোক

ভূরুঙ্গামারীতে মুদি ব্যবসায়ীকে মারধর প্রায় দের লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৩১ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মুদি ব্যবসায়ী ভোরে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময় পথরোধ করে মারধর, হত্যার হুমকি দেয় এবং তার সঙ্গে থাকা ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে থানায় অভিযোগ করেছে উপজেলার চার যুবকের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভূরুঙ্গামারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা, ভূরুঙ্গামারী বাসস্ট্যান্ডের ‘সরকার স্টোর’-এর ব্যবসায়ী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।

অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ করেন, প্রতিদিনের মতো দোকানে যাওয়ার সময় রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নলেয়া গ্রামের জনৈক নেংলা মিয়ার দোকানের সামনে ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মোঃ সোহেল মিয়া, পিতা—মোঃ পোদ্দার শেখ; মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পিতা—মোঃ আমজাদ হোসেন; মোঃ হারুন মিয়া, পিতা—মোঃ সৈয়দ আলী এবং মোঃ ফেরাদৌস হোসেন, পিতা—মোঃ আবুল হোসেন তার পথরোধ করেন। পরে তারা ধাক্কাধাক্কি ও মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২ ও ৩ নম্বর অভিযুক্ত তাকে ধরে রাখেন এবং ১ নম্বর অভিযুক্ত তার পকেট থেকে ব্যবসার ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন বের করে নেন। এ সময় অভিযুক্তরা ধারালো দেশীয় ছোরা ও দা দেখিয়ে হত্যার হুমকি দিলে তিনি চিৎকার করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

জাহাঙ্গীর আলমের দাবি, অভিযুক্তরা টাকা নিয়ে গেলেও বাটন মোবাইলটি নেংলা মিয়ার কাছে রেখে যায়। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে নেংলা মিয়া মোবাইলটি তাকে ফেরত দেন। এ সময় অভিযুক্তরা তাকে আবার একা পেলে মারধর, খুন ও গুম করার হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ফেরদৌস দীর্ঘদিন ধরে উপজেলাসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলার পকেট মারাসহ বিভিন্ন কাজে যুক্ত আছে। এছাড়া তারা নেশাগ্রস্ত ও মাদকাসক্ত বলে জানান।

ভূরুঙ্গামারী থানার ডিউটি অফিসার এসআই জাকির হাসান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category