• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জ ১৪ শিক্ষকের ১ শিক্ষার্থী, তাও ফেল! কোটালিপাড়ার দুটি বিদ্যালয়ে টিউবওয়েল,খেলার সামগ্রী চুরি হলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন কুড়িগ্রামে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের ৩১ সদস্যের জেলা কমিটি গঠন গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর বিদ্যালয় ও কলেজ ১৪ জন শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১জন পাশের হার শূন্য বৃত্তি থেকে জিপিএ-৫, সাফল্যের নেপথ্যে সংগ্রাম; অভাবকে হারিয়ে স্বপ্নজয়ের পথে রাজারহাটের যমজ বোন রহিমা-রাবেয়া কুড়িগ্রামে নিয়োগ বাণিজ্যে কলেজ সভাপতি বিএনপি নেতা ইউনুছ ও অধ্যক্ষের কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়ে বিক্ষোভ কুড়িগ্রামের উলিপুরে জাতীয় যুব দিবস পালিত হয়েছে ১ নভেম্বর যুব দিবসে নিবন্ধন সনদ পেল রক্তদাতা যুব সেবা কল্যাণ সংগঠন পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক, উত্তাল গাজীপুর-মিরপুর; বন্ধ শতাধিক কারখানা রৌমারীতে মাদক সেবনের দায়ে একজনের কারাদণ্ড

গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর বিদ্যালয় ও কলেজ ১৪ জন শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১জন পাশের হার শূন্য

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ / ২৩ Time View
Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার দুর্বাশুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নিয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে তিনিও পাস করতে পারেন নাই। ফলে কলেজটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

গত শনিবার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এ চিত্র দেখা গেছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির নাম।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মানবিক বিভাগে একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে কোনো পরীক্ষার্থী ছিলেন না। প্রকাশিত ফলাফলে একমাত্র পরীক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছেন।

১৯৯৮ সালে দুর্বাশুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালে চালু করা হয় কলেজ শাখা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির স্কুল বিভাগে ১৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। তাদের সবাই এমপিওভুক্ত এবং বেতন-ভাতা সঠিক ভাবে পাচ্ছেন। কলেজ শাখায় বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ চালু থাকলেও শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে রয়েছে চরম সংকট।

প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখার প্রধান শিক্ষক স্বর্ণা রানী বিশ্বাস বলেন, কলেজটি গ্রামীণ এলাকায় হওয়ায় ছাত্র তেমন পাওয়া যায় না। এ জন্য শিক্ষকরাও কলেজে আসেন না। শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যাপারেও তাদের কোনো উৎসাহ নেই।

তিনি জানান, কলেজে শিক্ষার্থী বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। এ জন্য প্রতিবছর নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করছেন। এলাকাবাসী জানান, ১৪ জন শিক্ষক একজন পরীক্ষার্থী কে সঠিক ভাবে পড়াশোনার দিকে লক্ষ্য করলে এধরনের আপত্তিকরজন ঘটনা ঘটতো না। এজন্য এলাকাবাসী মনে করেন যে, এজন্য দায়ী সম্পূর্ণ শিক্ষকবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category