• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জ ১৪ শিক্ষকের ১ শিক্ষার্থী, তাও ফেল! কোটালিপাড়ার দুটি বিদ্যালয়ে টিউবওয়েল,খেলার সামগ্রী চুরি হলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন কুড়িগ্রামে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের ৩১ সদস্যের জেলা কমিটি গঠন গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর বিদ্যালয় ও কলেজ ১৪ জন শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১জন পাশের হার শূন্য বৃত্তি থেকে জিপিএ-৫, সাফল্যের নেপথ্যে সংগ্রাম; অভাবকে হারিয়ে স্বপ্নজয়ের পথে রাজারহাটের যমজ বোন রহিমা-রাবেয়া কুড়িগ্রামে নিয়োগ বাণিজ্যে কলেজ সভাপতি বিএনপি নেতা ইউনুছ ও অধ্যক্ষের কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়ে বিক্ষোভ কুড়িগ্রামের উলিপুরে জাতীয় যুব দিবস পালিত হয়েছে ১ নভেম্বর যুব দিবসে নিবন্ধন সনদ পেল রক্তদাতা যুব সেবা কল্যাণ সংগঠন পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক, উত্তাল গাজীপুর-মিরপুর; বন্ধ শতাধিক কারখানা রৌমারীতে মাদক সেবনের দায়ে একজনের কারাদণ্ড

কোটালিপাড়ার দুটি বিদ্যালয়ে টিউবওয়েল,খেলার সামগ্রী চুরি হলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ / ১২ Time View
Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার দুটি স্কুলের বিভিন্ন সামগ্রী চুরির ঘটনা ঘটলেও প্রধান শিক্ষকদ্বয় কোনো আইনী পদক্ষেপ না নেয়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকা সমুহে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায় উপজেলার মধ্যকান্দি গ্রামের ১৮৬ নং শচীন্দ্রনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলটি চুরি এবং জাতীয় পতাকার স্ট্যান্ডটি কে বা কারা ভেঙ্গে ফেললেও প্রধান শিক্ষক চোর ধরার জন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। টিউবওয়েল না থাকায় শিক্ষার্থীরা পানি পান করতে পারছেনা। জাতীয় পতাকার স্ট্যান্ড ভেঙ্গে ফেলায় তা মাটিতে পুতে রাখা হয়েছে। এখন সেটি বাকা হয়ে যাওয়ায় দেখে অমর্যাদাকর মনে হয়।

চোর ধরার জন্য থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক প্রাণ কৃষ্ণ বালা বলেন, আমি এসএমসি সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট এটিওকে জানিয়েছি। তবে থানায় জিডি বা অভিযোগ করিনি। এলাকার কেউ না কেউ চুরি করেছে টিউবওয়েলটি।

এদিকে ১৬১ নং কুমারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে স্থাপিত শিক্ষার্থীদের খেলার সামগ্রী স্লিপারটি চুরি হয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা জানায়। দোলনাটি সংস্কার করা হয় না। অন্যান্য কোনো উপকরনও নাই।

প্রধান শিক্ষক ববিতা বিশ্বাস ল্যাপটপ বাড়ীতে নিয়ে গেছেন। বিদ্যালয়টিতে সরকারি কোনো নিয়মনীতি মানা হয় না। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে হেড ম্যাডাম ববিতা বিশ্বাস তাদেরকে গাইড কিনতে বলেছে। লেকচার গাইড না কিনলে হেড ম্যাডাম মারপিট বা বকাঝকা করেন।

এসব অভিযোগ নিয়ে আলাপ করার জন্য ওই বিদ্যালয়ে গেলে প্রধান শিক্ষক ববিতা বিশ্বাস বলেন, বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ এবং তথ্য প্রদান নিষিদ্ধ করেছেন কোটালিপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত। আপনারা কিছু জানতে চাইলে তার সাথে কথা বলেন।

এলাকার কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,স্লীপারটি এলাকার কেউ নয় বরং ববিতা ম্যাডাম চুরি করে বিক্রি করে দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে আলাপ করার জন্য কোটালিপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্তের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপ করার চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category