• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জ ১৪ শিক্ষকের ১ শিক্ষার্থী, তাও ফেল! কোটালিপাড়ার দুটি বিদ্যালয়ে টিউবওয়েল,খেলার সামগ্রী চুরি হলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন কুড়িগ্রামে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের ৩১ সদস্যের জেলা কমিটি গঠন গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর বিদ্যালয় ও কলেজ ১৪ জন শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১জন পাশের হার শূন্য বৃত্তি থেকে জিপিএ-৫, সাফল্যের নেপথ্যে সংগ্রাম; অভাবকে হারিয়ে স্বপ্নজয়ের পথে রাজারহাটের যমজ বোন রহিমা-রাবেয়া কুড়িগ্রামে নিয়োগ বাণিজ্যে কলেজ সভাপতি বিএনপি নেতা ইউনুছ ও অধ্যক্ষের কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়ে বিক্ষোভ কুড়িগ্রামের উলিপুরে জাতীয় যুব দিবস পালিত হয়েছে ১ নভেম্বর যুব দিবসে নিবন্ধন সনদ পেল রক্তদাতা যুব সেবা কল্যাণ সংগঠন পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক, উত্তাল গাজীপুর-মিরপুর; বন্ধ শতাধিক কারখানা রৌমারীতে মাদক সেবনের দায়ে একজনের কারাদণ্ড

গোপালগঞ্জ ১৪ শিক্ষকের ১ শিক্ষার্থী, তাও ফেল!

সাইফুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি / ১০ Time View
Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর উপজেলার দুর্বাশুর আদর্শ স্কুল আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এন্ড কলেজ। শিক্ষক আছেন ১৪ জন। আর কলেজ থেকে এ বছর মাত্র ১জন শিক্ষার্থী এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু সেই শিক্ষার্থীও ফেল করেছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ঢাকা বোর্ডে শূন্য পাসের তালিকায় উঠেছে কলেজটি।

কলেজ সূত্রে জানাজায়, ২৫-২৬ সেশনে ১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও এবার এইচএসসি পরীক্ষায় মাত্র ১জন অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, সেই শিক্ষার্থীও ফেল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।

ওই গ্রামের বলরাম ওঝা, নির্মল বিশ্বাস, শুভেন্দু সরকার বলন, প্রতিষ্ঠানটির এমন করুণ অবস্থার জন্য পরিচালনা পর্ষদ ও প্রতিষ্ঠান প্রধান সহ শিক্ষকরা দায়ী। এখানে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে চায় না। কারণ এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ নেই। এভাবে কোন প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। তাই কলেজ শাখা বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।

জানাযায়, দুর্বাশুর আদর্শ স্কুল আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এন্ড কলেজে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্কুলের ১৪ জন শিক্ষকই এমপিও ভুক্ত হয়েছেন। নিয়মিত বেতন ভাতা পান। পরে ২০০৯ সালে কলেজ শাখা চালু করা হয়। কলেজটিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে স্কুলের ১৪ জন শিক্ষক দিয়ে কলেজের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করিয়ে আসছেন। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় শুধু মাত্র মানবিক বিভাগ থেকে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।বাকি ২ বিভাগে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি ছিল না।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ স্বর্ণা রানী বিশ্বাস বলেন, ‘কলেজটি গ্রাম এলাকায় হওয়ায় ছাত্র তেমন পাওয়া যায় না। এজন্য শিক্ষকরাও কলেজে আসেন না। শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যাপারে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category