অটোরিকশা ও রিকশায় যাতায়াতের সময় চালক ও যাত্রীদের প্রকাশ্যে ধূমপানের কারণে চরম ভোগান্তি ও স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত যাত্রীদের জন্য বিষয়টি দিন দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক অটোরিকশা ও রিকশা চালক যাত্রী বহনের সময় নির্বিঘ্নে সিগারেট সেবন করেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে সহযাত্রীরাও ধূমপান করেন। এতে ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো যানবাহন। যাত্রীরা আপত্তি জানালেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা আমলে নেওয়া হয় না।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, এটি শুধু অসৌজন্যমূলক আচরণ নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। পরোক্ষ ধূমপানের কারণে শিশুদের শ্বাসকষ্ট, গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং হৃদরোগ ও ফুসফুসজনিত রোগীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে পারে।
অভিযোগ রয়েছে, গণপরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ থাকলেও ছোট যানবাহনগুলোতে এ আইনের বাস্তব প্রয়োগ প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী বাধ্য হয়ে ধূমপানের ধোঁয়ার মধ্যে যাতায়াত করছেন।
সাধারণ যাত্রীরা বিষয়টি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা অটোরিকশা, রিকশা ও অন্যান্য যাত্রীবাহী যানবাহনে ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা, নিয়মিত নজরদারি এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
তাদের মতে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।