• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ইবলিশ আল্লাহর ইবাদতকারী ও জ্ঞানী ছিল, কিন্তু শয়তান হলো কেন? গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম. মনসুর আলীর ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রক্তদাতা যুব সেবা কল্যাণ সংগঠনের মাসব্যাপী সদস্য সংগ্রহ অভিযান নাগেশ্বরীর গোলেরহাট ফাজিল মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি স্থানীয়দের গোপালগঞ্জে ১৯৮ পিস ইয়াবা সহ ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার গোপালগঞ্জে মটরসাইকেল দূর্ঘটনায় যুবক নিহত কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠিত হয়েছে ডেঙ্গু মশাকে ‘বেয়াদব’ বললেন ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মোঃ আজমুল হক গোপালগঞ্জে কলেজ ছাত্র হত্যা মামলার প্রধান আসমী গ্রেফতার

অবৈধ যৌন প্রবৃত্তি ও সামাজিক দায় নিয়ে ইসলামিক দৃষ্টিকোণ আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

সমাজে অবৈধ সম্পর্ক, অনৈতিক আচরণ এবং যৌন প্রবৃত্তিকে কেন্দ্র করে দায়-দায়িত্ব নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি আলোচনা উপস্থাপন করা হয়েছে।
ইসলামিক আলোচনায় বলা হয়, অনেকেই নিজেদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সমাজ, পরিবেশ বা পরিস্থিতিকে দায়ী করার চেষ্টা করেন। কেউ বলেন সুযোগের অভাব, কেউ বলেন পারিবারিক বা সামাজিক বাধা—এ ধরনের যুক্তি উপস্থাপন করা হলেও ইসলামের দৃষ্টিতে প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজের কাজের জন্য নিজেই দায়ী।
ইসলামিক শিক্ষায় বলা হয়েছে, কিয়ামতের দিন কেউ কারো গুনাহ বহন করবে না। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আনআমের ১৬৪ নম্বর আয়াতে উল্লেখ রয়েছে, “কেউ অন্যের বোঝা বহন করবে না।”
আলোচনায় আরও বলা হয়, ইসলাম মানুষের যৌন চাহিদাকে স্বাভাবিক মানবিক প্রবৃত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তবে এর জন্য বৈধ পথ হিসেবে বিয়েকে সহজ করার নির্দেশনা দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) যুবকদের উদ্দেশ্যে বিয়ের মাধ্যমে নিজেকে সংযত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন, আর সামর্থ্য না থাকলে রোজার মাধ্যমে আত্মনিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিয়েছেন।
এছাড়া সমাজের ভূমিকা সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়। বলা হয়, বিয়েকে কঠিন করা, অশ্লীলতার বিস্তার এবং নৈতিক পরিবেশের অভাব সমাজে গুনাহের পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তবে এসব প্রভাব থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তির নিজের দায়িত্ব অস্বীকার করা যায় না।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, “পরিস্থিতি আমাকে বাধ্য করেছে”—এ ধরনের যুক্তি ইসলামী দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ একই পরিস্থিতিতে থেকেও অনেক মানুষ নিজেকে হারাম থেকে সংযত রাখতে সক্ষম হন।
আলোচনায় আত্মরক্ষার উপায় হিসেবে সালাত, রোজা, দৃষ্টি সংযম, হারাম পরিবেশ থেকে দূরে থাকা, দ্রুত বৈধ বিয়ের চেষ্টা এবং আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
শেষে বলা হয়, সমাজ ও পরিবেশ প্রভাব ফেললেও চূড়ান্ত দায় ব্যক্তির নিজের ওপরই বর্তায়। তাই প্রত্যেকের উচিত আত্মসংযম ও নৈতিকতার মাধ্যমে নিজেকে হারাম থেকে রক্ষা করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category