বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)-এ নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে কাজী সালাউদ্দিনের। প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় টানা পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের এই ক্রীড়া সংগঠক।
শনিবার (৮ আগস্ট) ভুটানে অনুষ্ঠিত সাফ কংগ্রেসে কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি পদে একমাত্র প্রার্থী ছিলেন কাজী সালাউদ্দিন। ফলে সাফের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের মাধ্যমে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও এক মেয়াদের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।
সাফের গঠনতন্ত্রের ২৪.২ ধারা অনুযায়ী, কোনো পদে প্রার্থীর সংখ্যা যদি শূন্যপদের সমান বা তার কম হয়, তবে কংগ্রেসের অনুমোদনের মাধ্যমেই সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। সেই বিধান অনুসারেই নতুন মেয়াদ নিশ্চিত হয়েছে সালাউদ্দিনের।
২০০৯ সাল থেকে টানা সাফের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন কাজী সালাউদ্দিন। গত বছর শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় গঠনতন্ত্র থেকে ৭০ বছর বয়সসীমার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়। এর ফলে ৭১ বছর বয়সী সালাউদ্দিন নতুন মেয়াদেও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান।
এদিকে, এবারই প্রথম সাফের কার্যনির্বাহী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন বাফুফের সহসভাপতি সাব্বির আহমেদ আরেফ। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া সহসভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন শ্রীলঙ্কার জাসওয়ার উমারু লাবে। নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মালদ্বীপের হুসাইন শাফিউ।
কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের মাধ্যমে নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের আঞ্চলিক সংস্থা সাফে আরও এক মেয়াদের জন্য কাজী সালাউদ্দিনের নেতৃত্ব অব্যাহত থাকবে। তাঁর পুনর্নির্বাচনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের প্রশাসনে ধারাবাহিকতা বজায় থাকলেও আগামী দিনে সাফের প্রতিযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ফুটবলের প্রসারে নতুন নেতৃত্ব কী ধরনের উদ্যোগ নেয়, সেদিকেই থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের নজর।