• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রে ভাঙ্গন রোধে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ৪০ বিঘার মাছের খামারে বদলে দিচ্ছেন সম্ভাবনার গল্প: সফল উদ্যোক্তা রতন রেজাউল সন্ধ্যার মধ্যে ১৪ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস পরকীয়ার সন্দেহে চরম নিষ্ঠুরতা! ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার চেষ্টা, স্ত্রী আটক অবহেলায় ধুঁকছে ঝালকাঠী–নবগ্রাম সড়কের সেতু, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কায় এলাকাবাসী ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান, একাধিক অঞ্চলে সুনামি সতর্কতা সাড়ে ৭ বছরে সড়কে ঝরল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর প্রাণ, সবচেয়ে বেশি মৃত্যু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নাগেশ্বরীতে এসআইকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন নাগেশ্বরীতে ঘুষের অফার প্রত্যাখ্যান করায় এসআইকে হয়রানির অভিযোগ গোপালগঞ্জ ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ উদ্ধার

সাড়ে ৭ বছরে সড়কে ঝরল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর প্রাণ, সবচেয়ে বেশি মৃত্যু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়

অনলাইন ডেক্স, ঢাকা / ১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

দেশে ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭ হাজার ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী। একই সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহতের ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ ছিলেন শিক্ষার্থী। এ সময়ে দেশে মোট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪৮ হাজার ৭১৩ জন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রোড সেফটি ফাউন্ডেশন প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল ও মাদরাসার শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৩২৮ জন (৪৫.১৯%) এবং ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৪ হাজার ৩৬ জন (৫৪.৮০%)।

সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী হিসেবে, যার সংখ্যা ৩ হাজার ৮৪১ জন। এছাড়া পথচারী হিসেবে যানবাহনের ধাক্কা বা চাপায় ১ হাজার ৯২৩ জন, যানবাহনের যাত্রী হিসেবে ৯২৭ জন, বাইসাইকেল ও রিকশা আরোহী হিসেবে ৫১৯ জন এবং অটোরিকশার চাকায় ওড়না বা পোশাক পেঁচিয়ে ১৫৪ জন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

সড়কের ধরন অনুযায়ী, আঞ্চলিক সড়কে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ১৪৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এছাড়া গ্রামীণ সড়কে ১ হাজার ৯৪৭ জন, শহরের সড়কে ১ হাজার ৭৮৬ জন এবং জাতীয় মহাসড়কে ১ হাজার ৪৮২ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়া-আসা বা বাড়ির আশপাশে খেলার সময় অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী যানবাহনের ধাক্কায় বেশি নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ১৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী হিসেবে মৃত্যুর ঘটনা সবচেয়ে বেশি, যা মূলত আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কে ঘটেছে।

এদিকে, গত সাড়ে সাত বছরে অসাবধানভাবে রেললাইন পারাপার এবং কানে হেডফোন ব্যবহার করে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে আরও ১ হাজার ২৩৭ জন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক, অনিরাপদ যানবাহন, নিরাপদ সড়ক ব্যবহারে সচেতনতার অভাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের ঘাটতি, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং অসুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির অন্যতম কারণ।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংস্থাটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বছরে অন্তত একবার সড়ক নিরাপত্তা ক্যাম্পেইন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, পরীক্ষায় সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার, অনিরাপদ যানবাহন বন্ধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের মোটরসাইকেল চালানো বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category