• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের অভিযোগ ঝিকরগাছায় সরকারি শিশু পরিবার (বালক)-এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি প্রদান  গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ২ টি ডায়গনস্টিক সেন্টার বন্ধের চিঠি রৌমারীতে অপরাধ প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিং সভা গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন নাগেম্বরীর ১৩ নং বল্লভেরখাস ইউনিয়নে উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের চার প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন চিলমারী-রংপুর রমনা কমিউটার ট্রেনের কোচ থেকে বৈদ্যুতিক তার চুরির অভিযোগ রাজারহাটে ৮২ লাখ টাকার হাট, দোকানদার নেই-উদ্বোধনের কয়েক মাস পরও ফাঁকা শেড নির্মাণ শেষ, জমেনি ব্যবসা; সুফল পাচ্ছেন না ক্রেতা-বিক্রেতা গোপালগঞ্জ মাদক সেবনের দায়ে দুই যুবকের কারাদণ্ড বন্দবেড় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে নুর আলম খান হিরো

অবৈধ যৌন প্রবৃত্তি ও সামাজিক দায় নিয়ে ইসলামিক দৃষ্টিকোণ আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

সমাজে অবৈধ সম্পর্ক, অনৈতিক আচরণ এবং যৌন প্রবৃত্তিকে কেন্দ্র করে দায়-দায়িত্ব নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি আলোচনা উপস্থাপন করা হয়েছে।
ইসলামিক আলোচনায় বলা হয়, অনেকেই নিজেদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সমাজ, পরিবেশ বা পরিস্থিতিকে দায়ী করার চেষ্টা করেন। কেউ বলেন সুযোগের অভাব, কেউ বলেন পারিবারিক বা সামাজিক বাধা—এ ধরনের যুক্তি উপস্থাপন করা হলেও ইসলামের দৃষ্টিতে প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজের কাজের জন্য নিজেই দায়ী।
ইসলামিক শিক্ষায় বলা হয়েছে, কিয়ামতের দিন কেউ কারো গুনাহ বহন করবে না। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আনআমের ১৬৪ নম্বর আয়াতে উল্লেখ রয়েছে, “কেউ অন্যের বোঝা বহন করবে না।”
আলোচনায় আরও বলা হয়, ইসলাম মানুষের যৌন চাহিদাকে স্বাভাবিক মানবিক প্রবৃত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তবে এর জন্য বৈধ পথ হিসেবে বিয়েকে সহজ করার নির্দেশনা দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) যুবকদের উদ্দেশ্যে বিয়ের মাধ্যমে নিজেকে সংযত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন, আর সামর্থ্য না থাকলে রোজার মাধ্যমে আত্মনিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিয়েছেন।
এছাড়া সমাজের ভূমিকা সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়। বলা হয়, বিয়েকে কঠিন করা, অশ্লীলতার বিস্তার এবং নৈতিক পরিবেশের অভাব সমাজে গুনাহের পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তবে এসব প্রভাব থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তির নিজের দায়িত্ব অস্বীকার করা যায় না।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, “পরিস্থিতি আমাকে বাধ্য করেছে”—এ ধরনের যুক্তি ইসলামী দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ একই পরিস্থিতিতে থেকেও অনেক মানুষ নিজেকে হারাম থেকে সংযত রাখতে সক্ষম হন।
আলোচনায় আত্মরক্ষার উপায় হিসেবে সালাত, রোজা, দৃষ্টি সংযম, হারাম পরিবেশ থেকে দূরে থাকা, দ্রুত বৈধ বিয়ের চেষ্টা এবং আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
শেষে বলা হয়, সমাজ ও পরিবেশ প্রভাব ফেললেও চূড়ান্ত দায় ব্যক্তির নিজের ওপরই বর্তায়। তাই প্রত্যেকের উচিত আত্মসংযম ও নৈতিকতার মাধ্যমে নিজেকে হারাম থেকে রক্ষা করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category